এমপ্লয়ি অনবোর্ডিং
স্মুথ অনবোর্ডিং, শক্তিশালী শুরু!

A seasoned full-stack software developer with hands-on experience, leveraging cutting-edge technologies to tackle complex software challenges. I believe in perpetual growth, achieving maximum output with minimal exertion, automation wherever possible, keeping code clean, cultivating team trust, guiding with empathy and sensitivity, and completing tasks efficaciously.
আজকে আমি এমপ্লয়ি অনবোর্ডিংয়ের অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো।
আমার শেষ কোম্পানিতে এমপ্লয়ি অনবোর্ডিং একটা সুন্দর প্রক্রিয়া ছিল। সাধারণত, একজন এমপ্লয়ি নতুন কোম্পানিতে যোগ দেওয়ার পর প্রথম কয়েকদিন কোম্পানির সংস্কৃতি নিয়ে বেশ বিভ্রান্ত থাকেন। কীভাবে টিম মেম্বারদের সঙ্গে কমিউনিকেট করবে, আচরণগত প্যাটার্ন কেমন হবে, কোম্পানির মিশন-ভিশন কী—এসব বিষয়ে বুঝতে সময় লাগে।
আমাদের কোম্পানিতে একটা লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (LMS) ছিল। নতুন এমপ্লয়ির প্রথম দায়িত্ব ছিল এই LMS-এর কোর্সগুলো সম্পন্ন করা। প্রতিটি মডিউলের শেষে মাল্টিপল চয়েস প্রশ্নের পরীক্ষা দিতে হতো।
এই পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে লিডারবোর্ড দেখানো হতো। যাই হোক, এখন এই কোর্সগুলোর বিষয়বস্তুর কথা বলি।
কোর্সের বিষয়বস্তু ছিল—
কোম্পানির শুরুর ইতিহাস
কোম্পানি প্রতিটি মিটিংয়ের রেকর্ডেড ভার্সন
কীভাবে কোম্পানি ধাপে ধাপে আজকের অবস্থানে এসেছে
কোম্পানির মিশন ও ভিশন
কোম্পানির সংস্কৃতি
কোম্পানির উত্থান-পতনের ইতিহাস
কোম্পানির রেভিনিউ টার্গেট
প্রতিটি কোয়ার্টারে কতটুকু রেভিনিউ অর্জন করেছে
কোথায় কোথায় কোম্পানির ডাউনফল হয়েছে
প্রথম দশ দিন আমি শুধু এই কোর্সগুলো করেছি।
এর ফলাফল যা হয়েছে তা হলো—আমি আমার কোম্পানিকে সম্পূর্ণভাবে জেনে গিয়েছি। আমি নিজেই কোম্পানিটাকে ওয়োন করি, এইরকম একটা মানসিকতা তৈরি হয়।এতে এমপ্লয়ি অনবোর্ডিং এতটাই স্মুথ হয়ে যায় যে, যখন একজন এমপ্লয়ি কোনো প্রোজেক্টে এনগেজ হয়, তখন তার কী কী করতে হবে তা নিয়ে কোনো কনফিউশন থাকে না। সে প্রথম দিন থেকেই ফুল পেসে পারফর্ম করতে পারে।
আরেকটা সুন্দর কালচার ছিল, সেটি হলো হায়ারিং বাডি। হায়ারিং বাডির বিষয়টা একটু বলি।যেহেতু আমাদের কোম্পানির এমপ্লয়িরা ভিন্ন সময় ও লোকেশন থেকে কাজ করত, তাই যখন একজন নতুন এমপ্লয়ি যোগ দিত, তখন তার সঙ্গে একই টাইমজোন ও একই ভাষাভাষী একজন অভিজ্ঞ এমপ্লয়ি পরিচয় করিয়ে দেওয়া হতো।
এই এমপ্লয়ি প্রথম দুই মাসে প্রতি ১৪ দিন পরপর ফলো-আপ মিটিং করত।
নতুন এমপ্লয়ি কী কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, সেগুলো কীভাবে সমাধান করা যায়—এসব নিয়ে আলোচনা হতো। এই কর্মীকেই হায়ারিং বাডি বলা হতো।
এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন কর্মী নিজেকে অনেক বেশি এমপাওয়ার্ড অনুভব করত। এটি তার দৈনন্দিন কাজের দক্ষতা এবং পারফরম্যান্স বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত।
আমি জানি না আমাদের দেশের লোকাল কোম্পানিগুলো তারা কীভাবে এমপ্লয়ি অনবোর্ডিং করে। কোম্পানির টিম সাইজ অনুযায়ী এই প্রক্রিয়া প্রয়োগ করে দেখতে পারেন।



